Warning: mkdir(): Permission denied in /var/www/html/system/core/Log.php on line 131

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: mkdir(): Permission denied

Filename: core/Log.php

Line Number: 131

Backtrace:

File: /var/www/html/index.php
Line: 332
Function: require_once

মন্টু যা ভাবে
preloader
বাংলা বইয়ের e-ভুবন
Menu Categories Search Cart 0
Menu
Cart

Total 0 Items

☹ Your cart is empty

Sub Total:

$0

₹0

বিভাগ
Test Site
মন্টু যা ভাবে
অণুগল্প

মন্টু যা ভাবে

প্রকাশিত হল অমিতাভ দাসের লেখা অণুগল্প ‘মন্টু যা ভাবে’।

গভীর শীত রাতে দূরে কোথাও ঢাক বাজে। উলুধ্বনি... শনিবার... কাঁসর-ঘন্টা... আজ কি অমাবস্যা নাকি? মন্টু ভাবে। রতনবাবুর দোকানঘরের বারান্দায় শুয়ে শুয়ে সে ভাবে। শীত পড়েছে ভালোই। সবে ডিসেম্বরের শুরু। আরও কত শীত পড়বে। শ্যামা সংগীত শুনতে শুনতে মন্টু ভাবে, শীতের কুয়াশামাখা আলপথ ধরে মা আসছেন আজ। আলতারাঙা যুগল চরণ, কণ্ঠে জবার মালা...

মন্টু শুনতে পায় দুর্গামন্দিরের বাজারে সারাদিন ধরে চলতে থাকা নাম সংকীর্তন। মধুর বাঁশির সুর। ওর মায়ের কথা মনে পড়ে। মা খুব কীর্তন শুনতে ভালোবাসত। মনে পড়ে বুড়ো বাপের কথা। লোকটা শীতের রাতে কাশতে কাশতে মরে গেল। বাবার হাতে ধরা ছিল নামের মালা। বাবা বলল, ঈশ্বর আসছেন।

পদাবলীর হু-হু করা এক বিরহের সুর। মন্টুর মনটা উদাস হয়ে ওঠে। মনে হয় এখন তাহলে ঈশ্বর আসছেন। হাতে বাঁশি। কণ্ঠে তুলসীমালা, হাসিমুখ...

আকাশ-বাতাস জুড়ে কী এক মায়া। ভালোবাসা যেন ছুঁয়ে আছে মন্টুর হাত। গতকাল সে একটা নতুন কম্বল পেয়েছে। আরও পাবে। মন্টুর মনে হয়, শীত মানে কি শুধুই কম্বল? আর কিছু নয়!

রুমকিদের খিড়কি দরজার পাশে মা কুকুর ওর বাচ্চাদের নিয়ে শুয়ে আছে— ওদের কি শীত লাগে না?... মন্টু উঠে গিয়ে নিজের কম্বলটা ওদের গায়ে চাপিয়ে দিয়ে এল। তারপর সামান্য হেসে মনে মনে ভাবল, কাল সকালে লোকে বলবে— পাগল।

কেতাব-ই’র ব্লগজিন বিভাগে লেখা পাঠাতে চান? মেল করুন blogzine.ketabe@gmail.com-এ। মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখুন ‘কেতাব-ই ব্লগজিনের জন্য লেখা’


কেতাব-ই’র মুদ্রিত বই, ই-বই এবং ব্লগজিন বিভাগের লেখালিখির নিয়মিত খোঁজখবর পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন


এই ব্লগজিনে প্রকাশিত সমস্ত লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব।

Image Description

মহুয়া মীল।

1 বছর আগে

বা:! বেশ লাগলো।


Image Description

মহুয়া মীল।

1 বছর আগে

বা:! বেশ লাগলো।


লেখক

অমিতাভ দাস কবি হিসেবে সাহিত্য জীবন শুরু করলেও কবিতার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অণুগল্প, ছোটোগল্প ও প্রবন্ধ লেখেন। প্রকাশিত বই ৩৫ টির বেশি। পেয়েছেন বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ পুরস্কার, সুতরাং সাহিত্য সম্মান, কলম সাহিত্য সম্মান, কালদর্পন সাহিত্য সম্মান, টেগোর ভিলেজ সাহিত্য পুরস্কার, অনিলা দেবী সাহিত্য পুরস্কার। অবগুণ্ঠন সাহিত্যপত্রটির সম্পাদনা করে আসছেন ১৯৯৬ সাল থেকে। উল্লেখযোগ্য কবিতার বই— রাধিকা অথবা কুসুম, রাতের জার্নাল, সব ধুলো হয়ে আছে, শরীর শরীর আলো, সেতার ভিজছে জলে, অ্যাকোয়ারিয়াম, অমিতাভ উবাচ, নির্বাচিত ১০০। ছোটোদের জন্য লেখা গল্পের বই গাছবন্ধু, গ্রহের নাম প্যাংটিটলো। ছোটোগল্পর বই গল্প আমার অল্প (অভিযান-২০১৭), বিষাদ-সুন্দরী ও লালপদ্ম (সুতরাং--২০১৯)। এই বইটির জন্য অনিলাদেবী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ২০২১ সালে। ২০১৯-এ শ্রমণ পত্রিকা দিয়েছে সেরা গল্পকার সম্মান। দেশ, যুগশঙ্খ, নন্দন, সুখবর, এই সময়, জাগোবাংলা, কৃত্তিবাস, উৎসব, কথা সাহিত্য, তথ্যকেন্দ্র, অনুবাদ পত্রিকা, উদ্বোধন, কবি সম্মেলন, রক্তমাংস সহ দেশ-বিদেশের নানা কাগজে লেখা প্রকাশিত হয়। নেই মানুষের গল্প অমিতাভ দাসের চতুর্থ অণুগল্প গ্রন্থ। গত চার-পাঁচ বছরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত। পাঠকের কাছ থেকে উচ্চ প্রশংসিত। যুগশঙ্খ, শতানীক, হাইওয়ে, অভিব্যক্তি, কৌণিক, ফোনগল্পের আাসর, নবাবী, ইসক্রা, তথ্যকেন্দ্র, কথামালা, জাগোবাংলা প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে অমিতাভের অণুগল্প। 'চিনি' গল্পটির জন্য 'সুরজিৎ ও বন্ধুরা কবিতা ক্লাব' থেকে পেয়েছেন সেরা গল্পকার সম্মান। অণুগল্প নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গবেষণামূলক কাজ করে চলেছেন।

অন্যান্য লেখা

দেখতে পারেন